Home » Home

Home

মাওলানা এম এ মতিন

প্রধান উপদেষ্ঠার বক্তব্য

আমাদের বর্তমান প্রজন্মই আগামী দিনের জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। তাদেরকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুগোপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে জ্ঞান ও মেধা নির্ভর প্রতিযোগিতার বিকল্প নেই। সৃজনশীল জ্ঞান নির্ভর প্রতিযোগিতায়  নিজেকে যাচাই করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাথে  প্রতিযোগিতার মঞ্চে অবতীর্ণ হবার ফলে  শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিভাকে শাণিত করার সুযোগ পায়। তারা নিজ গন্ডির বাইরে এসে অসংখ্য বিষয় সম্পর্কে জানারও সুযোগ পায়।মূলত:সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের  লক্ষ্যেই  শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তির যাত্রা শুরু হয়েছিল।ডিজিটাল যুগে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা ও মননের পরিপূর্ণ বিকাশে একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমসহ সুকুমার বৃত্তি চর্চার কাজে সম্পৃক্ত হওয়া প্রয়োজন। সুপ্ত প্রতিভার বিকাশই হচ্ছে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। সর্বোপরি সমাজের একজন উৎপাদনশীল সভ্য হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠার জন্য যেসব যোগ্যতা ও দক্ষতা আবশ্যক সেসব অর্জনে শিক্ষার পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ততা  ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়ার ভূমিকা অপরিহার্য।ছাত্র ছাত্রীদের মূল কাজ হচ্ছে তাদের সুন্দর ভবিষ্যত বিনির্মাণে পড়ালেখায় মনোযোগী হওয়া, পাশাপাশি সুন্দর মনের পরিচ্ছন্ন মানুষ হয়ে গড়ে ওঠার জন্য সৃষ্টিশীল, রুচিশীল ও মননধর্মী উপযোগী কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করা।আমি মনে করছি-দেশসেরা মেধাবৃত্তি শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে  শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেন্দ্রীয় বৃত্তি পরিচালনা বোর্ড পরিকল্পিত পন্থায় সারাদেশে সৃজনশীলতা ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছে সেজন্য তাদেরকে স্বাগত জানাই।অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য রইলো দোয়া ও শুভকামনা। প্রত্যাশা রাখছি- এধরনের  নবতর চিন্তাচেতনা, পদক্ষেপ ও  মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমেই আলোকিত হবে স্বদেশ,তৈরি হবে দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব ও দেশগড়ার আলোকিত মানুষ।

 
মাওলানা এম এ মতিন
প্রধান উপদেষ্টা
শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি সংসদ
মুহাম্মদ আখতার হোসেন চৌধুরী

চেয়ারম্যানের বক্তব্য

শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি বেসরকারি পর্যায়ে দেশের সবচেয়ে বড় মেধাবৃত্তির মঞ্চ। স্কুল ও মাদ্রাসা পর্যায়ের ২য় শ্রেণি হতে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সিলেবাস অনুসরণ করে মেধাযাচাইয়ে অবতীর্ণ হয়। ১৯৯৬ সালে শুরু হওয়া এ বৃত্তি পরীক্ষা ২০০২ সালে এসে  নতুনভাবে পথচলা শুরু করে ।শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা পরিচালনা বোর্ড গঠনের মাধ্যমে শুরু হয় সৃজনশীল প্রতিভা অন্বেষণে কঠিন পথচলার  আন্দোলন।কেন্দ্রীয় পরিচালনা বোর্ডের অধীনে জেলা সমন্বয় কমিটিগুলোর তদারকিতে সম্পন্ন হয় বৃত্তি আয়োজনের প্রতিটি পর্ব। করোনাকালীন দূর্যোগময় পরিস্থিতির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়লেও প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশসেরা এ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা।সর্বশেষ ২০২২ সালের ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় বিভিন্ন¡¡¡ জেলার ১১৮টি কেন্দ্রে প্রায় ৩২ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। ২০১৯ সালে সারাদেশের উপজেলাগুলোতে ১৪৭  কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ছিল ৫১,২৪৩  জন। সংখ্যার হিসেবে যা বেসরকারি  পর্যায়ে সর্বোচ্চ।  সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের এ কর্মসূচি  ক্রমান্বয়ে সমৃদ্ধ হচ্ছে।  শহীদ হালিম- লিয়াকত  আলোকিত সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন।মেধাবী কচিকাঁচা শিশুকিশোরদের মাধ্যমে তাদের সে অপূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আমাদের সব প্রচেষ্টা। স্বপ্ন পূরণের পর্বে যারা যেভাবে সহযোগিতা করেছেন প্রত্যেকের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

 

 

 

মুহাম্মদ আখতার হোসেন চৌধুরী
চেয়ারম্যান
শহীদ হালিম-লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি কেন্দ্রীয় পরিচালনা বোর্ড

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের বক্তব্য

সৈয়দ মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক